Skip to main content

Featured

ভারতীয় ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ডের জীবনের জানা - অজানা তথ্য

হার্দিক পাণ্ডে ভারতের এই ক্রিকেটার ১৯৯৩ সালের ১১ অক্টোবর  গুজরাতের সুরাটে জন্ম গ্রহন করেন।তার পূর্ণ নাম হার্দিক হিমাংশু পাণ্ডিয়া। তার পিতার নাম হিমাংশু পাণ্ড্য তিনি একটি ছোটো কার ফাইনান্স ব্যবসা করতেন।হার্দিকের যখন ৫ বছর বয়স তখন তার পিতা তাকে এবং তার ভাই ক্রুনাল কে নিয়ে চলে আসে বড়োদরা ষরে   এবং সেখানেই তাদের ক্রিকেটে ভালো ভাবে প্রশিক্ষিত করতে থাকে। পরে সেখানকার কিরণ মোরের ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে  তাদের ভর্তি করে দেওয়া হয়।হার্দিক নবম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন  তার পর ক্রিকেটের প্রতি মনোনিবেশ করার জন্য পড়াশোনার ইতি টানেন।হার্দিক ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ছিলেন একজন লেগ স্পিনার  তার পর বরোদা দলের তদনীন্তন কোচ সনৎ কুমারের পীড়া পীড়িতে  ফাস্ট বোলিং শিখেন। খেলোয়াড়ী জীবন হার্দিক এর ক্রিকেট জীবনের অভিষেক হয় ২০১৩ সালে ইউসুফ পাঠান এর নেতৃত্বে বরোদা ক্রিকেট দলের হয়ে। ২০১৩-১৪ সালে বরোদা দলের সৈয়দ মুস্তাক আলী ট্রফি জয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।লি২০১৫-১৬ সালে অস্ট্রেয়ার বিপক্ষে তার টি-২০ আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে।তার প্রথম ম্যাচ হয় ২৬ জুলাই ২০১৬ তারিখে এবং সেই ম্যাচে ত...

ভারতীয় কিংবদন্তী ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবনের জানা - অজানা তথ্য

মহেন্দ্র সিং ধোনির 

ভারতীয় ক্রিকেটার এর ভিতরে সব থেকে জনপ্রিয় ক্রিকেটার মহেন্দ্রা সিং ধোনি। তিনি ভারত দলের সব থেকে জনপ্রিয় ক্যাপ্টেন। তার খেলা বা তার ক্রিকেট প্রতিভার কথা বিশ্বের সকল মানুষ জানেন। তিনি রাঁচির এক মধ্যবিত্ত পরিবারের  সন্তান তিনি ভবিষ্যতে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করবে তা  কেউ কখনো ভাবতে পারেননি। মহেন্দ্র সিং ধোনি এমন একজন ক্রিকেটার যাকে  ক্রিকেটীয় সম্মান এর ভিতরে সব সম্মান দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশ্বকাপ জয় করেছেন। আই,পি, এল এ অনেক বার বিজয় হয়েছেন। এজন্য তাকে ভারতের সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ট অধিনায়ক বলা হয়।মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্ম ৭ ই জুলাই ১৯৮১ সালে। তার জন্ম ঝাড়খণ্ড অঞ্চলের রাঁচি শহরে।তার উচ্চতা ৫' ৯" এবং ওজন ৭৫ কেজি।তার বাবার নাম  পান সিং এবং মাতা দেবকী সিং তার বাবা রাঁচিতে মেকন লিমিটেডে জুনিয়র ম্যানেজার পদে চাকরি করতেন এজন্য তার আদি বাড়ি লাওলি গ্রাম ছেড়ে রাঁচি চলে আসতে হয়। এবং সেখানে তারা বসবাস শুরু করে তারা ছিলো ৫ জন সদস্যর পরিবার। তার বড় দাদা নরেন্দ্র  সিং ও তার দিদি জয়ন্তী দেবী। ধোনি ছোট্ট বেলা থেকে বরিউড তারকা জন আব্রাহামের খুব বড় ভক্ত ছিলেন |এজন্য তিনি এক সময় জন আব্রাহামের মত বড় লম্বা চুল রাখতেন।ধোনি লেখা পড়া শুরু হয় ডিএভি জহর বিদ্যা মুন্দির থেকে। তিনি স্কুলে পড়াশুনার পাশাপাশি স্কুল এ খেলাধুলা ও করতেন  তিনি স্কুল এর ফুটবল টিম এর গোলরক্ষক ছিলেন।তার স্কুল এর ফুটবল কোচ তাকে ফুটবল খেলা অপেক্ষা ক্রিকেট খেলা খেলানোর জন্য অনুপ্রানিত করে এবং সেই থেকে তার ক্রিকেট খেলা শুরু হয় |তিনি স্কুল জীবন শেষ করে গ্রাজুয়েশান করার জন্য রাঁচির সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু ক্রিকেট খেলা আরো মনোযোগ দিয়ে শেখার জন্য এবং সেটাকে নিয়ে এগোনোর জন্য তিনি তার পড়াশোনা শেষ করতে পারেননি।ধোনী তার শৈশবের বন্ধু সন্তোষ লালের থেকে দ্য, হেলিকপ্টার শট,টি  শিখেছিলেন |

খেলোয়াড়ী জীবন

তিনি ১৮ বছর বয়সে ১৯৯৯ সালে সর্বপ্রথম রঞ্জি ট্রফিতে ঝাড় খন্ড ক্রিকেট দলের হয়ে খেলে।তিনি তার অভিষেক ম্যাচে ৬৮ রানের একটা অপরাজিত ইনিংস খেলে। সেই  গোটা মরশুমে তিনি মাত্র ৫ টা ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় এবং সব মিলে ২৮৩ রান করেন।তিনি পরবর্তী সময় বেঙ্গল ক্রিকেট দলের বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করে এবং মোট ৩৫০ রান করে|২০০৩-২০০৪ সালে আসামের বিপক্ষে রঞ্জি ওডিআই ট্রফিতে ১২৮ রানের একটা ম্যাচ খেরেন। এবং ৪ ম্যাচ এ মোট ২৪৪ রান করেন। রঞ্জিতে ভালো খেলার জন্য সে ভারতীয় "এ" দলে সুযোগ পায় এবং জিম্বাবুয়ে সফরে যান|সেই ম্যাচ এ তিনি ৭ টা ক্যাচ এবং ৪ টা স্ট্যাম্পিং করেন।তারপর  ২৩ শে ডিসেম্বর ২০০৪ সালে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের হয়ে খেলার সুযোগ পায়। এবং সেই ম্যাচ টি হয় বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনি অভিষেক ম্যাচ এ শূন্য রান করে রান আউট হয়ে যায়।তার পরের ম্যাচ গুলো তিনি দুর্দান্ত খেলেন। এবং ২০০৫ সালে তিনি  টেস্ট টিমে জায়গা করে নেন। টেস্ট টিমে তার সর্ব মোট রান ৪৭৮৬ |এরপর   পর ২০০৭ সালে তাকে ভারতের ওয়ানডে এবং টেস্ট উভয় ফর্ম্যাটে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়।তার পর তো কি হয় আমাদের সকলের জানা আছে। ২০০৭ সালে টি- ২০ বিশ্বকাপ জয়। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জয়। তাছাড়া ও ধোনির অধিনায়কত্ব করা কালিন চেন্নাই সুপার কিংস এর হয়ে ৩ বার আইপিএলে জয় লাভ করে।ধোনী একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন।তিনি ২০০৮ ও ৯ সালে আইসিসি ক্রিকেটের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান।তিনি প্রথম ভারতীয়, যিনি এই পুরস্কার পান। এছাড়া তিনি ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান রাজীব গান্ধী খেল রন্ত  ও দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামারিক সম্মান পদ্মশ্রী পেয়েছেন।তিনি, ২০১২,১৩,১৪ সালে ভারতের সবোচ্চ করদাতা ক্রীড়াবিদ ছিলেন এবং ফোর্বস ম্যাগাজিন কর্তৃক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনী ১০ ক্রিকেটারের মধ্যে শীর্ষ স্থানীয় হিসেবে মনোনিত হন |আইপিএল খেলার বিনিময়ে প্রতি বছর ১৫ কোটি রুপি নেন ,তার মোট সম্পদ এর পরিমান ৭৬০ কোটি রুপি|সব মিলিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনি ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অধিনায়ক।



ব্যক্তিগত জীবন

২০০২ সারে, যখন ধোনি ভারত দলে জায়গা পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন, তখন তিনি প্রিয়াঙ্কা ঝা নামের একটি মেয়ের প্রেমে পড়েন |তবে দূর্ভাগ্যক্রমে একই বছর প্রিয়াঙ্কা দূর্ঘটনায় মারা যায়|২০০৭ সালে ধোনির ম্যানেজারর মাধ্যমে সাক্ষী রাওয়াত এর সাথে কলকাতায় দেখা হয়েছিল।ধোনি তার ম্যানেজারের কাছ থেকে সাক্ষীর  নম্বর নিয়েছিলো।তার পর তারা ৩ বছর প্রেম  করার পর ২০১০ সালে তাদের বিয়ে হয়| বিয়ের ৫ বছর পর ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি  তার একটা মেয়ে হয়। তার নাম জিভা।


সম্মান ও পুরস্কার 

ধোনী একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন।তিনি ২০০৮ ও ৯ সালে আইসিসি ক্রিকেটের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান।তিনি প্রথম ভারতীয়, যিনি এই পুরস্কার পান। এছাড়া তিনি ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান রাজীব গান্ধী খেল রন্ত  ও দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামারিক সম্মান পদ্মশ্রী পেয়েছেন।

সম্পদ

তিনি, ২০১২,১৩,১৪ সালে ভারতের সবোচ্চ করদাতা ক্রীড়াবিদ ছিলেন এবং ফোর্বস ম্যাগাজিন কর্তৃক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনী ১০ ক্রিকেটারের মধ্যে শীর্ষ স্থানীয় হিসেবে মনোনিত হন |আইপিএল খেলার বিনিময়ে প্রতি বছর ১৫ কোটি রুপি নেন ,তার মোট সম্পদ এর পরিমান ৭৬০ কোটি রুপি|




Comments